মধু সম্পর্কে

অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে মধুর অসাধারণ কাজ

✔️পবিত্র কুরআন এবং হাদীসে মধুর অনেক গুনাগুন সম্পর্কে বলা হয়েছে।

✔️“আপনার পালনকর্তা মৌমাছিকে আদেশ দিলেনঃ পাহাড়ে, গাছে এবং উঁচু চালে গৃহ তৈরী কর, এরপর সর্বপ্রকার ফল থেকে ভক্ষণ কর এবং আপন পালনকর্তার উম্মুক্ত পথ সমূহে চলমান হও। তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙে পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্যে রয়েছে রোগের প্রতিকার। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে।” – সূরা আন-নাহল(১৬), আয়াতঃ ৬৮-৬৯

✔️প্রিয়নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ‘মধুতে আরোগ্য নিহিত আছে।’ (সহীহ বুখারি: ৫২৪৮)।

🌿মধুও আরেকটি চমৎকার অ্যান্টিবায়োটিক। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান। এটি ব্যাকটেরিয়া উৎপন্ন হওয়াকে ব্যাহত করে। মধুর অসাধারণ গুণের কারণে প্রাচীনকাল থেকেই এর ব্যবহার সম্পর্কে মানুষ অবগত ছিল এবং ব্যবহার করতো। এতে আছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, আয়োডিন, কপার, জিংক সহ আরও অনেক অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা আমাদের দেহের বাহ্যিক, অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে পারে।

🌿মধুতে আছে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধকারী উপাদান, যা অনাকাঙ্ক্ষিত যে কোন সংক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা করে। ২০০৭ সালে সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা যায়, সুপারবাগ ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ প্রতিরোধে মধু খুব ভালো কাজ করে। বিভিন্ন ভাইরাসের আক্রমণে বিভিন্ন রোগ প্রায়ই দেহকে দুর্বল করে দেয়। এসব ভাইরাস প্রতিরোধে মধু খুবই কার্যকর।এর প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমূহ সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে।

🌿জার্মানী ও অস্ট্রেলিয়াতে গবেষণায় জানা যায়, পাকস্থলী ও হাড়ের ক্যান্সার নিরাময়ে মধু ভূমিকা রাখতে পারে । এজন্য এক টেবিল চামচ মধু ও দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে বলা হয়। মধুর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গায় ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে। কোথাও পুড়ে বা কেটে গেলে ক্ষত স্থানে মধুর একটি পাতলা প্রলেপ দিয়ে দিন। এতে ব্যথা কমবে ও দ্রুত ক্ষত শুকাবে। এর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান ক্ষত পরিষ্কার হতে সাহায্য করে ও ব্যথা, ঘ্রাণ, পূঁজ ইত্যাদি হ্রাস করে দ্রুত ক্ষত নিরাময় করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *